কনটেন্টে যান

অ্যাফিলিয়েট

রেফার করুন, অর্ডার হলেই আয় করুন।

চেনা কেউ চাকরি খুঁজলে কিটঘরের সেবা সম্পর্কে জানাতে পারেন। রেফারেল কোড ব্যবহার করে তিনি 20% ছাড়ে কিনবেন, আর পণ্যের দামের 10% কমিশন পাবেন আপনি — টাকা সরাসরি ওয়ালেটে জমা হবে।

  1. প্রথমে একটি অর্ডার করুন

    প্রথম অর্ডার সম্পন্ন হলে রেফারেল কোড তৈরি হবে। এই কোডের মাধ্যমেই কমিশন সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

  2. কোড শেয়ার করুন

    অ্যাকাউন্টে একটি রেফারেল কোড ও শেয়ার করার লিংক পাবেন। কোড বা লিংক, যেটি সুবিধাজনক মনে হয় — হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার বা অন্য মাধ্যমে পাঠান।

  3. বন্ধু পাবেন 20% ছাড়

    চেকআউটে কোড দিলেই পেমেন্টের আগে ছাড় যোগ হবে। ছাড় পেতে পরে আলাদা করে আবেদন করতে হবে না।

  4. কমিশন জমা হবে

    বন্ধুর অর্ডার সম্পন্ন হলে পণ্যের দামের 10% কমিশন ওয়ালেটে জমা হবে। সুবিধামতো বিকাশ, নগদ বা রকেটে টাকা তুলতে পারবেন।

হিসাবটা দাঁড়ায় এরকম
তালিকাভুক্ত দাম৳ 1,000
বন্ধুর খরচ (20% ছাড়ে)৳ 800
কমিশন৳ 100

কমিশন হিসাব করা হয় পণ্যের তালিকাভুক্ত দাম ৳ 1,000 থেকে — বন্ধু ছাড়ে যে ৳ 800 দিয়েছেন, তা থেকে নয়। এই ছাড় কিটঘর দেয়, কমিশনের টাকা থেকে কেটে নেওয়া হয় না।

অ্যাকাউন্ট খুলুন, প্রথম অর্ডার দিয়ে শুরু করুন

বিনামূল্যে এক মিনিটেই অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। প্রথম অর্ডার সম্পন্ন হলে রেফারেল কোড স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয় — কোড পেতে বা অ্যাফিলিয়েট হতে আলাদা কোনো আবেদন করতে হয় না।

ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলুন লগইন

রেফারেলের কমিশন যেভাবে হিসাব হয়

ওপরে রেফারেলের মূল নিয়মগুলো দেওয়া আছে। কমিশনের হিসাব ও টাকা তোলা নিয়ে বিস্তারিত নিচে দেখুন — অন্য রেফারেল প্রোগ্রামের নিয়মের সঙ্গে এখানে কিছু পার্থক্য আছে।

কমিশন কখন জমা হয়, হিসাব কীভাবে

কমিশন পাওয়ার আগে এই তিনটি বিষয় জেনে নিন।

তালিকাভুক্ত দামের ওপর কমিশন হিসাব হয়
বন্ধু ছাড়ে যে টাকা দেন, সেই অঙ্ক থেকে কমিশন হিসাব হয় না। ছাড় কিটঘরের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়, কমিশন থেকে কাটা হয় না — তাই কোড শেয়ার করলে কোনো খরচ হয় না।
রেফারেলের অর্ডার সম্পন্ন হলে কমিশন আসে
শুধু লিংকে ক্লিক বা অর্ডার করলেই কমিশন জমা হয় না, অর্ডার সম্পন্ন হতে হয়। এতে বাতিল অর্ডারের কমিশন আগে দিয়ে পরে আবার ফেরত নেওয়ার প্রয়োজন এড়ানো যায়।
প্রথম অর্ডার সম্পন্ন হলে রেফারেল কোড পাবেন
প্রথম অর্ডার সম্পন্ন হলে অ্যাকাউন্টের জন্য রেফারেল কোড তৈরি হয়। এই কোডেই কমিশন সংশ্লিষ্ট ওয়ালেটে জমা হয় — আলাদা আবেদন বা অনুমোদনের অপেক্ষা নেই।

টাকাটি তুলবেন যেভাবে

ওয়ালেটের এই ব্যালেন্স ভাউচার নয় — মোবাইল ওয়ালেটে টাকা হিসেবে তুলতে পারবেন।

  1. রেফার করা ব্যক্তির অর্ডার সম্পন্ন হলে সেই অর্ডারের কমিশন ওয়ালেটে জমা হয়। প্রতিটি আয় আলাদা করে তালিকায় দেখানো থাকে এবং কোন অর্ডার থেকে এসেছে, সেটিও জানা যায় — তাই মোট ব্যালেন্সের সঙ্গে প্রতিটি আয়ের হিসাব মিলিয়ে দেখতে পারবেন।
  2. “আয়” পেজ থেকে bKash, Nagad বা Rocket-এ টাকা তোলার আবেদন করুন। আবেদনে দেওয়া নম্বরেই টাকা পাঠানো হবে।
  3. টাকা পাঠানোর আগে আবেদন যাচাই করা হয়। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত “টাকা তোলা” পেজে আবেদনের অগ্রগতি দেখতে পারবেন।

রেফারেল নিয়ে প্রশ্ন

কোড পেতে হলে কি আগে নিজে কিছু অর্ডার করতে হবে?
হ্যাঁ। প্রথম অর্ডার সম্পন্ন হলে অ্যাকাউন্টের জন্য রেফারেল কোড তৈরি হয়। এই কোড দিয়ে কমিশন সঠিক ওয়ালেটে জমা হয় — আলাদা আবেদন বা অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।
কমিশন কি ছাড় দেওয়া দামের ওপর হিসাব হয়?
না, কমিশন হিসাব হয় তালিকাভুক্ত দামের ওপর। বন্ধু ছাড়ে কিনলেও পুরো দামের ভিত্তিতেই কমিশন পাবেন — ছাড়ের খরচ কিটঘরের লাভ থেকে আসে, কমিশনের টাকা থেকে কাটা হয় না।
কমিশন কখন জমা হয়?
রেফার করা ব্যক্তির অর্ডার সম্পন্ন হলে কমিশন জমা হয়, অর্ডার দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নয়। টাকা ওয়ালেটে যোগ হয় এবং কোন অর্ডার থেকে এসেছে, তা “আয়” পেজে দেখায়।
টাকা তুলব কীভাবে?
“আয়” পেজ থেকে bKash, Nagad বা Rocket-এ টাকা তোলার আবেদন করুন। টাকা পাঠানোর আগে আবেদন যাচাই হয়, পাঠানো না হওয়া পর্যন্ত আবেদনের অগ্রগতি দেখা যায়।
বন্ধু কোড দিতে ভুলে গেলে?
কোড চেকআউটের সময়ই দিতে হবে। এর মাধ্যমে অর্ডারটি রেফারেল হিসেবে যুক্ত হয়, পরে কোড যোগ করা যায় না। ভুল এড়াতে কোডের বদলে রেফারেল লিংক পাঠান — এতে কোড আগে থেকেই থাকে।
কাউকে ছাড় দিলে কি কোনো খরচ হয়?
না। বন্ধু ছাড়ে কিনবেন, আর আপনি তালিকাভুক্ত দামের ওপর কমিশন পাবেন। ছাড় ও কমিশন দুটিই কিটঘর দেয় — কোড কতজন ব্যবহার করতে পারবেন, তারও কোনো সীমা নেই।